শেখ ওয়াজেদ আলি

- বাংলা - বাংলা সাহিত্য | NCTB BOOK
1.3k

সরকারি কর্মকর্তা (ম্যাজিস্ট্রেট) এস. ওয়াজেদ আলি ছিলেন একজন উদার ও প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব। তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করতেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। সে লক্ষ্যে তিনি সাম্প্রদায়িকতামুক্ত দেশ গঠনের জন্য হিন্দু-মুসলিম ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান সম্বলিত সাহিত্য রচনায় প্রবৃত্ত হন। তিনি পরপর দুবার 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি'র সভাপতি ছিলেন।

  • এস. ওয়াজেদ আলি ৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৯০ সালে হুগলীর শ্রীরামপুরের বড়তাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  • তাঁর প্রকাশিত ও সম্পাদিত মাসিকের নাম 'গুলিস্তা' (১৯২৫)।
  • তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্পগ্রন্থের নাম 'গুলদাস্তা' (১৯২৭)।
  • তিনি ১০ জুন, ১৯৫১ সালে কলকাতায় মারা যান।

সাহিত্যিক উপাদানসাহিত্যিক তথ্য
জন্মএস. ওয়াজেদ আলি ৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৯০ সালে হুগলীর শ্রীরামপুরের বড়তাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
সম্পাদনাতাঁর প্রকাশিত ও সম্পাদিত মাসিকের নাম ‘গুলিস্তা’ (১৯২৫)।
প্রথম গল্পগ্রন্থতাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্পগ্রন্থের নাম ‘গুলদাস্তা’ (১৯২৭)।
সাহিত্যকর্ম

তাঁর প্রকাশিত সাহিত্যকর্মসমূহ:

গল্প: ‘মাশুকের দরবার' (১৯৩০), ‘দরবেশের দোয়া’ (১৯৩১), ‘বাদশাহী গল্প’ (১৯৪৪), ‘গল্পের মজলিস' (১৯৪৪), ‘ভাঙ্গাবাঁশী'।

ঐতিহাসিক উপন্যাস: ‘গ্রানাডার শেষ বীর' (১৯৪০)।

প্ৰবন্ধ:

‘অতীতের বোঝা’ (১৯১৯): এটি তাঁর প্রথম প্রবন্ধ যা প্রমথ চৌধুরীর ‘সবুজপত্র' পত্রিকায় ১৯১৯ সালে প্রকাশিত হয়।
‘ভবিষ্যতের বাঙালি' (১৯৪৩): এটি সাম্প্রদায়িকতামুক্ত দেশ গঠনের জন্য হিন্দু-মুসলিম ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান সম্পর্কিত। এ গ্রন্থে তিনি বাংলাভাষীদের রাষ্ট্রগঠন সম্পর্কে ইঙ্গিত প্রদান করেন।
‘জীবনের শিল্প' (১৯৪১),
‘প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩),
‘আকবারের রাষ্ট্রসাধনা' (১৯৪৯),
‘মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ’,
‘ইকবালের পয়গাম' ।

ভ্রমণকাহিনি: ‘পশ্চিম ভারত' (১৯৪৮), ‘মোটরযোগে রাঁচি সফর' (১৯৪৯)।

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...